কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
-
ক
কর্মে সপ্তমী
-
খ
অধিকরণে সপ্তমী
-
গ
অপাদানে সপ্তমী
-
ঘ
করণে শূন্য
'কারক' শব্দের অর্থ- যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে কারক" হলো – (কৃ + ণক)। ক্রিয়া সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন উপকরণ অর্থাৎ ব্যাক্তি,স্থান,কাল প্রভৃতির দরকার হয়।এদের সঙ্গে ক্রিয়াপদের যে সম্পর্ক তাকেই কারক বলে। সুতরাং বলা যায়—বাক্যের অন্তর্ভুক্ত ক্রিয়াপদের সাথে অন্যান্য পদের যে প্রত্যক্ষ সম্বন্ধ তাকে কারক বলে।
কারকের প্রকারভেদ
ক্রিয়াপদের সাথে অন্যান্য পদের যে প্রত্যক্ষ সম্বন্ধ তা ছয় প্রকারের হতে পারে। যেমন- রাষ্ট্রপতি ঢাকায় রাজকোষ থেকে নিজ হাতে গরিবদেরকে অর্থ প্রদান করছেন। বাক্যটি বিশ্লেষণ করলে ক্রিয়াপদের সাথে অন্যান্য পদের ছয় প্রকার সম্পর্ক বেরিয়ে আসে।
- কে দান করছেন?- রাষ্ট্রপতি (কর্তৃকারক)
- কি দান করছেন? – অর্থ (কর্মকারক)
- কিসের দ্বারা দান করছেন? – নিজ হাতে (করণকারক)
- কাকে দান করছেন?— গরিবদেরকে (সম্প্রদান কারক )
- কোথেকে দান করছেন?- রাজকোষ থেকে (অপাদান কারক)
- কোথায় দান করছেন?- ঢাকায় (অধিকরণ কারক।)
রাষ্ট্রপতি, অর্থ, নিজ হাতে, গরিবদেরকে, রাজকোষ থেকে,ঢাকায়- এই ছয়টি পদের সাথে “প্রদান করছেন” ক্রিয়ার বিভিন্ন সম্পর্ক রয়েছে। এভাবে ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের ছয় প্রকারের সম্পর্ক হতে পারে। তাই কারক ছয় প্রকার। যথা—
১. কর্তৃকারক
২. কর্মকারক
৩. করণকারক
৪. সম্প্রদান কারক
৫. অপাদান কারক
৬. অধিকরণ কারক
বাংলা ব্যাকরণে কারক সম্বন্ধে ব্যাকরণবিদগণের মধ্যে বিতর্ক আছে। রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী বাংলায় মাত্র তিনটি- কর্তা, কর্ম ও অন্য একটি কারকের কথা বলেন। যতীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় কর্তা ও কর্ম ছাড়া অন্য সব কারক স্বীকার করেননি। তবে ‘সম্প্রদান কারক ছাড়া অন্য পাঁচটি কারকের কথা অধিকাংশ ব্যাকরণবিদ মেনে নিয়েছেন। যেহেতু বাংলা ব্যাকরণ সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণে রচিত; এজন্য আলোচনার সময় সম্প্রদান কারককে বাদ দেয়া হয়নি।
কারকের প্রয়োজনীয়তা
বাক্যে ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্যান্য পদের সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়ে থাকে কারকের মাধ্যমেই। মাঝে মাঝে ক্রিয়াপদ ছাড়াও বাক্য গঠিত হতে পারে। যেমন- সে খারাপ ছেলে। এ বাক্যটির মধ্যে ক্রিয়াপদ অনুল্লিখিত রয়েছে। এ উহা ক্রিয়াটি হলো- “হয়”। কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে এ উহা ক্রিয়াকে বিবেচনা করা হয় না। কারক বাক্যে শব্দের অন্বয় বুঝিয়ে দেয় এবং এতে বাক্যের অর্থ ও গঠন সুস্পষ্ট হয়ে থাকে। এ দিক দিয়ে বিচার করলে কারকের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
Related Question
View All-
ক
পাঁচ প্রকার
-
খ
চার প্রকার
-
গ
ছয় প্রকার
-
ঘ
সাত প্রকার
-
ক
কর্মকারক
-
খ
অধিকরণ কারক
-
গ
অপাদান কারক
-
ঘ
সম্প্রদান কারক
-
ক
কর্তৃকারক
-
খ
করণকারক
-
গ
অধিকরণ কারক
-
ঘ
অপাদান কারক
-
ক
কর্তা কারকে সপ্তমী
-
খ
কর্ম কারকে শূণ্য
-
গ
কর্তা কারকে শূণ্য
-
ঘ
করণ কারকে শূণ্য
-
ক
ধ্বনিতত্ত্বে
-
খ
রূপতত্ত্বে
-
গ
বাক্যতত্ত্বে
-
ঘ
অর্থতত্ত্বে
-
ক
অধিকরণে ৭মী
-
খ
করণে ৭মী
-
গ
কর্মে শূন্য
-
ঘ
অপাদানে ষষ্ঠী
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!